ডাঃ মো: দুলাল হোসেন | ফরিদপুরের অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার | Dr. Md. Dulal Hossain
ডা: মো: দুলাল হোসেন
বি.এইচ.এম.এস( ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), বিএইচএস(আপার)
Specialist: পাইল্স, ফিষ্টুলা, টিউমার, বাতব্যাথা, মাথাব্যাথা, পলিপাস, আইবিএস, চর্ম ও যৌন রোগ, মহিলা ও শিশুদের যাবতীয় রোগ।
Specialist: পাইল্স, ফিষ্টুলা, টিউমার, বাতব্যাথা, মাথাব্যাথা, পলিপাস, আইবিএস, চর্ম ও যৌন রোগ, মহিলা ও শিশুদের যাবতীয় রোগ।
Workplace : রুম নং ০৭, বর্হিবিভাগ (পুরানো ভবণ), ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল(সাবেক-২৫০ বেড), ফরিদপুর।
Designation & Department : মেডিকেল অফিসার (হোমিও)
Experiences : ১৫ বছর
Registration Number: এইচ-1227
Designation & Department : মেডিকেল অফিসার (হোমিও)
Experiences : ১৫ বছর
Registration Number: এইচ-1227
Chamber:
গ্রাজুয়েট হোমিও চেম্বার
চুনাঘাটা ব্রীজ সংলগ্ন, লক্ষীপুর, ফরিদপুর।
রোগী দেখার সময়: বিকেল ৩.৩০ - রাত ৮.০০(শুক্রবার বন্ধ),
যোগাযোগ: 01969323410
📞 Call Nowহোমিওপ্যাথি এবং হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারদের নিয়ে সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো, যা আপনাকে এই চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেতে সাহায্য করবে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা ও উত্তর
১. হোমিওপ্যাথিক ডাক্তাররা কীভাবে চিকিৎসা করেন?
হোমিওপ্যাথিক ডাক্তাররা কেবল রোগের লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে ওষুধ দেন না। তারা রোগীর শারীরিক গঠন, মানসিক অবস্থা, জীবনযাত্রা এবং বংশগত ইতিহাস বিশ্লেষণ করে একটি "সমগ্রিক" (Holistic) চিকিৎসা প্রদান করেন। তাদের মূলনীতি হলো "Similia Similibus Curentur" বা "সদৃশ সদৃশকে আরোগ্য করে"।
২. হোমিওপ্যাথিক ওষুধ কি ধীরে কাজ করে?
এটি একটি প্রচলিত ভুল ধারণা। তীব্র বা হঠাৎ হওয়া রোগের (Acute illness) ক্ষেত্রে সঠিক ওষুধ দ্রুত কাজ করতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদী বা ক্রনিক রোগের ক্ষেত্রে, যেহেতু রোগটি শরীরে অনেকদিন ধরে শিকড় গেড়ে থাকে, তাই সেটি নির্মূল হতে কিছুটা সময় লাগে।
৩. হোমিওপ্যাথিক ওষুধের কি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে?
প্রাকৃতিক উপাদান থেকে তৈরি এবং অত্যন্ত সূক্ষ্ম মাত্রায় ব্যবহৃত হওয়ায় সাধারণত এই ওষুধের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে না। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ভুল ওষুধ বা ভুল শক্তি (Potency) গ্রহণ করলে হিতে বিপরীত হতে পারে।
৪. চিকিৎসার সময় কি অন্য কোনো ওষুধ (অ্যালোপ্যাথি) বন্ধ করতে হয়?
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অ্যালোপ্যাথি এবং হোমিওপ্যাথি একসাথে চালানো যায়। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের মতো জীবন রক্ষাকারী ওষুধ হুট করে বন্ধ করা উচিত নয়। তবে দুটি ওষুধের সেবনের মধ্যে অন্তত ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টার ব্যবধান রাখা জরুরি।
৫. হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ডায়েট বা খাবারের বিধিনিষেধ কেন থাকে?
কিছু কড়া গন্ধযুক্ত খাবার (যেমন: কাঁচা পেঁয়াজ, রসুন, কফি বা তামাক) ওষুধের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে বলে অনেক ডাক্তার এগুলো এড়িয়ে চলতে বলেন। তবে এটি নির্ভর করে ওষুধের ধরনের ওপর।
একজন ভালো হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার কীভাবে চিনবেন?
শিক্ষাগত যোগ্যতা: নিশ্চিত হয়ে নিন ডাক্তারের স্বীকৃত কোনো ডিগ্রি (যেমন: BHMS বা DHMS) আছে কি না।
রোগীর ইতিহাস শোনা: একজন ভালো ডাক্তার আপনার রোগের বিস্তারিত ইতিহাস শোনার জন্য যথেষ্ট সময় দেবেন।
রেজিস্ট্রেশন: তিনি সরকারি বোর্ড বা কাউন্সিল দ্বারা স্বীকৃত কি না তা যাচাই করুন।
সতর্কতা
যেকোনো স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য নিজে নিজে ওষুধ না কিনে একজন নিবন্ধিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের সাথে সরাসরি পরামর্শ করা সবচেয়ে নিরাপদ।
This is for informational purposes only. For medical advice or diagnosis, consult a professional.
