Dr. Tanjima Tajreen | Best Psychiatrist Near Gulshan, Dhaka
Dr. Tanjima Tajreen
MBBS, MRCPsych | BM&DC Reg. No: A59879
Specialist: Psychiatrist & Psychotherapist (মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ)
Experiences: 10 years+
Chamber 1:
AMZ Hospital Ltd.
Ch-80/3 Pragati Swarani, North Badda, Dhaka-1212
Chamber Time: Sat, Mon and Wed 5:00 PM - 8:00 PM
Call for Appointment: +8801847331010, 10699
📞 Call Now 📍 Google MapChamber 2 (Private Chamber):
Niketon, Gulshan
House # 60, Road # 8, Block # C, Niketon, Gulshan-1, Dhaka 1212
Chamber Time: Thu, Fri, Sat 10 AM - 1 PM & Fri, Sun, Tues, Thur 5 PM - 9 PM
Call for Appointment: +8801310519046
📞 Call Now 📍 Google MapAbout Dr. Tanjima Tajreen:
ডা. তানজিমা তাজরীণ একজন অভিজ্ঞ মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist) এবং সাইকোথেরাপিস্ট। দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত আছেন। তিনি যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অফ সাইকিয়াট্রিস্টস, আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন এবং ইউরোপীয় সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের একজন সম্মানিত সদস্য।
আপনার প্রতিটি অনুভূতি, প্রতিটি চিন্তা এবং আপনার জীবনের প্রতিটি গল্প তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ডা. তানজিমা তাজরীণের চেম্বার আপনার জন্য এমন এক নিরাপদ এবং যত্নশীল আশ্রয়, যেখানে আপনি মন খুলে কথা বলতে পারেন এবং নিজেকে সত্যিকার অর্থে প্রকাশ করতে পারেন। গভীর সহানুভূতি এবং সহমর্মিতার মাধ্যমেই আরোগ্য লাভ শুরু হয়। মন, প্রাণ এবং আত্মার শান্তি ফিরিয়ে আনতে তিনি পরম মমতায় আপনার পাশে থাকবেন। সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনে ফিরে আসার এই যাত্রায় আপনি পাবেন প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও মানসিক শক্তি।
মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় আমরা বুঝতে পারি না কখন একজন বিশেষজ্ঞ বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের (Psychiatrist) পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। নিচে সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তরের মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরা হলো:
প্রশ্ন ১: মানসিক ডাক্তারের কাছে যাওয়ার প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী কী?
উত্তর: যদি নিচের লক্ষণগুলো দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়, তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত:
অকারণে দীর্ঘ সময় মন খারাপ থাকা বা বিষণ্ণতা।
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা সব সময় কোনো এক অজানা ভয়ে থাকা।
আগে যেসব কাজে আনন্দ পেতেন, এখন সেগুলোতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলা।
অকারণে মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা।
প্রশ্ন ২: ঘুমের সমস্যার সাথে কি মানসিক স্বাস্থ্যের সম্পর্ক আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, গভীর সম্পর্ক আছে। যদি আপনার প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হয়, ঘুমাতে অসুবিধা হয় কিংবা অতিরিক্ত ঘুম আসে, তবে এটি মানসিক উদ্বেগের লক্ষণ হতে পারে। ঘুমের অনিয়ম দীর্ঘস্থায়ী হলে মানসিক ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
প্রশ্ন ৩: শারীরিক উপসর্গ দেখে কি মানসিক সমস্যা বোঝা যায়?
উত্তর: অনেক সময় মনের চাপের বহিঃপ্রকাশ ঘটে শরীরে। যেমন:
অকারণে বুক ধড়ফড় করা বা শ্বাসকষ্ট।
মাথা ব্যথা, পেট খারাপ বা শরীরে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা যার কোনো শারীরিক কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
সব সময় ক্লান্তি অনুভব করা।
প্রশ্ন ৪: কখন বুঝব সমস্যাটি গুরুতর এবং দ্রুত ডাক্তার দেখানো প্রয়োজন?
উত্তর: নিচের পরিস্থিতিগুলোতে দেরি না করে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত:
যদি নিজের ক্ষতি করার বা আত্মহত্যার চিন্তা মাথায় আসে।
বাস্তব নয় এমন কিছু দেখা বা গায়েবি আওয়াজ শোনা (Hallucinations)।
মানুষের সাথে মেলামেশা একদম বন্ধ করে দেওয়া এবং নিজেকে গুটিয়ে রাখা।
খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন (একেবারেই না খাওয়া বা অতিরিক্ত খাওয়া)।
প্রশ্ন ৫: কাউন্সেলিং নাকি সাইকিয়াট্রিস্ট—কার কাছে যাওয়া উচিত?
উত্তর: যদি সমস্যাটি মূলত আবেগীয় বা আচরণের হয় (যেমন সম্পর্কের টানাপোড়েন বা স্ট্রেস), তবে কাউন্সেলর বা সাইকোলজিস্টের কাছে যেতে পারেন। কিন্তু যদি সমস্যার কারণে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হয় এবং ওষুধের প্রয়োজন পড়ে, তবে একজন সাইকিয়াট্রিস্ট (মনোরোগ বিশেষজ্ঞ) দেখানোই শ্রেয়।
মনে রাখবেন: মানসিক সমস্যা কোনো দুর্বলতা নয়, এটি অন্য যেকোনো শারীরিক অসুস্থতার মতোই একটি রোগ। সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিলে দ্রুত সুস্থ হওয়া সম্ভব।
